রাজশাহীর বাঘায় সিএনজি ও ভটভটির (ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার বাহন) মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন জন নিহত ও দু’জন আহত হয়েছেন। সোমবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার চন্ডিপুরের হযরত আলীর বাড়ির সামনে বাঘা-লালপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- লালপুরের নওপাড়া গ্রামের সিএনজিচালক শরিফুল ইসলাম (৪৫), সিএনজির যাত্রী লালপুরের বধুপাড়া গ্রামের নিরাপদ দাসের ছেলে বিধান দাস (৫৫) ও একই উপজেলার আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রকেনা বেগম (৯০)।
আহতরা হলেন- আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৩৫) ও চকবাদুড়িয়া গ্রামের আবদুল হান্নানের স্ত্রী সীমা বেগম (৫০)। তাদের প্রথমে উপজেলা ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, লালপুরের নওপাড়া গ্রামের সিএনজিচালক যাত্রী নিয়ে বাঘায় আসছিলেন। সিএনজিটি উপজেলার চন্ডিপুরের হযরত আলীর বাড়ির সামনে পৌঁছলে বাঘা থেকে ছেড়ে আসা একটি ভটভটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
আহতদের অবস্থা ভালো নয় বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক।
এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সকালে প্রচুর পরিমাণে কুয়াশা পড়ছিল। কুয়াশার কারণে একে অপরকে দেখা যাচ্ছিল না। দেখতে না পাওয়ার কারণে সংঘর্ষ হয়েছে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে মারা যান দু’জন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজন মারা গেছেন। সিএনজি ও ভটভটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, ‘লালপুর থেকে একটি সিএনজি পাঁচ জন যাত্রী নিয়ে বাঘার দিকে আসছিলেন। সিএনজি ও ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজির চালকসহ তিন জন নিহত হয়েছেন। লাশ উদ্ধার করে থানার আনা হয়েছে। সিএনজি ও ভটভটি উদ্ধার করা হয়েছে।’
