লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

জ্বালানি তেলে রেশনিং, মজুত কত দিনের

প্রকাশিত: 09 মার্চ 2026

108 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি শুরু করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, অতিরিক্ত চাহিদার চাপ সামাল দিতে সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ এবং মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে দৈনিক জ্বালানি তেলের মোট চাহিদা প্রায় ১৪ হাজার টন হলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি, দৈনিক প্রায় ১২ হাজার টন। গত ৭ মার্চ ডিজেল বিক্রি বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৭ হাজার ৮৯৯ মেট্রিক টনে।

বিপিসির তথ্যানুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ২০ হাজার ২৩৭ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে। দৈনিক গড়ে ৯ হাজার ২২ টন সরবরাহ অব্যাহত থাকলে এই মজুত দিয়ে প্রায় ১৩ দিন চলবে। তবে ১৩ মার্চের মধ্যে পাঁচটি জাহাজে আরও ১ লাখ ৪৭ হাজার টন ডিজেল দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা যুক্ত হলে মোট প্রায় ২৯ দিনের সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

পেট্রোলের ক্ষেত্রে বর্তমান মজুত দিয়ে প্রায় ১৭ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। অন্যদিকে অকটেনের মজুত রয়েছে প্রায় ২৫ দিনের। দেশীয় উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে চলতি মাসেই অতিরিক্ত সরবরাহ যুক্ত হওয়ার আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন ছাড়াও ফার্নেস অয়েলের মজুত প্রায় ৪৫ দিনের এবং জেট ফুয়েলের মজুত প্রায় ৪২ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে, যা চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা হয়। পাশাপাশি বছরে প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল ভারত ও চীন থেকে আমদানি করা হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্য সংকট দীর্ঘায়িত হলে এই সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তবে বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত কেনাকাটাই বাজারে চাপ বাড়াচ্ছে। রেশনিং মূলত সরবরাহ ধরে রাখা এবং হঠাৎ সংকট এড়ানোর একটি প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman