দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
ঢাকা–১১ আসনে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১ দলীয় জোটের এক নির্বাচনী সমাবেশে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে বক্তব্য দেওয়া এক নারীর প্রকৃত পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। শবনম খাদিজা নামের ওই নারী সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের পক্ষে ভোট চান।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা দাবি করেছেন, ওই নারী হাদির পরিবারের কেউ নন। ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিতে তিনি স্পষ্টভাবে ‘ভুয়া’ শব্দটি লিখে বিষয়টি নাকচ করেন।

পোস্টে রাবেয়া ইসলাম সম্পা লেখেন, শহীদ ওসমান হাদি তার জীবদ্দশায় কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না এবং তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যেন নিজেদের স্বার্থে হাদির নাম বা পরিচয় ব্যবহার না করে। হাদির আদর্শ অনুসরণে তাদের কোনো আপত্তি নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও লেখেন, রাজনৈতিক দলগুলো যাচাই না করেই যাকে-তাকে হাদির পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে, যা অনভিপ্রেত। ওসমান হাদির পরিবার ও ইনকিলাব মঞ্চ বরাবরই বলে এসেছে, ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে দল নয়, যোগ্যতা বিবেচনা করা উচিত।
একই পোস্টে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেন এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে ভুল না করেন।
এদিকে, রাবেয়া ইসলাম সম্পার ওই পোস্টটি শেয়ার করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। কমেন্টে তিনি লিখেছেন, পরিবারের তথ্য অনুযায়ী বক্তব্য দেওয়া নারী হাদি ভাইয়ের তিন বোনের কেউ নন।
তবে শবনম খাদিজা নামের ওই নারী কে, কিংবা কীভাবে তিনি শহীদ ওসমান হাদির বোন পরিচয়ে সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে।
