লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়: JF-17 থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা

প্রকাশিত: 07 জানুয়ারী 2026

42 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

পাকিস্তানের সঙ্গে জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান সংগ্রহের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ। ইসলামাবাদে দুই দেশের বিমান বাহিনী প্রধানদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিষয়টি উঠে আসে।

মঙ্গলবার পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআরের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই সফরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধানের নেতৃত্বে একটি জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে যায়। বৈঠকে মূলত দুই দেশের বিমান বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এয়ারোস্পেস খাতে যৌথ কাজের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

আইএসপিআর জানায়, বৈঠকে অপারেশনাল সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে পেশাগত প্রশিক্ষণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎমুখী প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সাম্প্রতিক অগ্রগতি সম্পর্কে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধানকে অবহিত করেন জহির আহমেদ বাবর সিধু। তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে মৌলিক থেকে শুরু করে উন্নত উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ এবং বিশেষায়িত কোর্সসহ কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় সুপার মুশশাক প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহ, পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ প্যাকেজ এবং দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা কাঠামোর আশ্বাসও দেওয়া হয়।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান পাকিস্তান বিমান বাহিনীর অপারেশনাল অভিজ্ঞতা ও যুদ্ধক্ষেত্রের সাফল্যের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের পুরনো বিমান বহরের রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশের আকাশ নজরদারি সক্ষমতা বাড়াতে এয়ার ডিফেন্স রাডার সিস্টেম একীভূত করার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা চান তিনি।

বৈঠকে চীন ও পাকিস্তানের যৌথভাবে উন্নত করা বহুমুখী যুদ্ধবিমান জেএফ–১৭ থান্ডার সম্ভাব্যভাবে কেনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিমান ২০১৯ ও ২০২৫ সালে ভারতের সঙ্গে সংঘাতে কার্যকারিতা দেখিয়েছে।

সফরকালে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং তারা পাকিস্তান বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনাও পরিদর্শন করেন।

আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়, এই সফর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে এবং ভবিষ্যতে সামরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ ও টেকসই কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলার যৌথ আগ্রহের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman