লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় দৃশ্যমান অগ্রগতি চান ডা. শফিকুর রহমান, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনেরও আহ্বান

প্রকাশিত: 10 জুলাই 2026

8 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের দেওয়া অঙ্গীকারের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চায় দেশের মানুষ। তার মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সময় লাগলেও আন্তরিক উদ্যোগের প্রতিফলন জনগণের সামনে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে বন্যাকবলিত চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা বিতরণের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল থেকে উত্থাপিত হয়ে আসছে। সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে অঙ্গীকার করা হয়েছে। এখন সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চায় জনগণ।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি এটি একটি বৃহৎ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প। এমন প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় লাগা স্বাভাবিক। তবে কাজ আন্তরিকভাবে এগোলে তার অগ্রগতি দৃশ্যমান হওয়ার কথা। মানুষ সেটিই প্রত্যাশা করছে।’

উল্লেখ্য, তিস্তা নদী অববাহিকার পানি ব্যবস্থাপনা, নদীশাসন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং নদীতীরবর্তী এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা আলোচনায় রয়েছে। উত্তরাঞ্চলের কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা এবং জীবিকায় এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে, যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং নগরজীবন স্থবির হয়ে পড়ে।

তার ভাষায়, নালা, নর্দমা ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে এই সংকট বারবার ফিরে আসে। তিনি বলেন, নগরবাসীর এই দীর্ঘস্থায়ী দুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, জনগণের সমস্যা ও দাবি সরকারের নজরে তুলে ধরা রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বের অংশ। একই সঙ্গে দুর্যোগকালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোও সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব। সে লক্ষ্যেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালীর মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে দলের নেতাকর্মীরা কাজ করছেন বলে জানান তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি এলাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকারি সংস্থার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

 

সূত্রঃ আমার দেশ

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman