লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

১৬ হাট ইজারায় ৪৮ কোটি রাজস্ব, ঢাকায় রেকর্ড দর

প্রকাশিত: 24 মে 2026

5 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাট ইজারা থেকে বড় অঙ্কের রাজস্ব আয় করেছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। মোট ১৬টি হাট ইজারায় এবার প্রায় ৪৮ কোটি টাকা রাজস্ব এসেছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, এবার উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে পশুর হাট ইজারা সম্পন্ন করে। কর্মকর্তাদের দাবি, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের কারণে এবার ইজারার দাম বেড়েছে এবং রাজস্বও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।

ডিএসসিসির অধীনে থাকা ১৬টি হাটের মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ইজারা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পোস্তগোলা, শাহজাহানপুর, মাতুয়াইল, বনশ্রী ও গোলাপবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় হাট রয়েছে।

একাধিক ইজারাদার জানিয়েছেন, আগের তুলনায় এবার দরপত্রে অংশগ্রহণ অনেক বেশি উন্মুক্ত ছিল। ফলে নির্দিষ্ট কোনো সিন্ডিকেট ছাড়াই প্রতিযোগিতামূলক দর দিয়ে হাট ইজারা নেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে খরচ বেড়ে যাওয়ায় লাভের চাপও থাকবে বলে তারা মনে করছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, কিছু হাটে সর্বোচ্চ দরদাতারা কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত ইজারা মূল্য দিয়েছেন। তবে দুটি হাটে কাঙ্ক্ষিত দর না পাওয়ায় পুনরায় দরপত্র আহ্বানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনেও একই চিত্র দেখা গেছে। উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় একটি বড় হাট প্রায় ১৪ কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে, যা এবার রাজধানীর সবচেয়ে বেশি দামের হাট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন উভয়ই জানিয়েছে, ইজারা প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে সর্বোচ্চ দরকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসকদের ভাষ্য, পুরো প্রক্রিয়া ছিল স্বচ্ছ এবং প্রতিযোগিতামূলক।

তবে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইজারার এই উচ্চ দর শেষ পর্যন্ত ক্রেতা ও বিক্রেতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। হাট পরিচালনার খরচ মেটাতে অতিরিক্ত কমিশন বা চার্জ আরোপের আশঙ্কা থাকে, যা পশুর দামে প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে ইজারাদাররা বলছেন, তারা হাটে নিরাপত্তা, সিসিটিভি, ব্যাংকিং বুথ এবং পর্যাপ্ত আলো ও পানির ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা করছেন। তবে এসব সুবিধা বাস্তবায়ন কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উন্মুক্ত দরপত্রে রাজস্ব বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও হাট ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তা সুরক্ষায় কঠোর নজরদারি না থাকলে এর সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman