লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

কুষ্টিয়ায় ছয় হত্যা মামলা: হানিফসহ চারজনের রায় বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত: 27 অক্টোবর 2026

11 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

জুলাই আন্দোলনের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার নেতার রায় আগামী বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণার এ দিন নির্ধারণ করেন।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ সিদ্ধান্ত দেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মামলার অন্য তিন আসামি হলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা।

গত ৭ অক্টোবর চার আসামির পক্ষে ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর মামলার বিচারিক কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপ হিসেবে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হলো। বৃহস্পতিবারের রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

রাষ্ট্রপক্ষের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে চার আসামির বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায় বা নির্দেশদাতা হিসেবে দায়বদ্ধতার অভিযোগ। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের যথেষ্ট বলে ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া বক্তব্যের সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে আসামিরা সমর্থন জানিয়েছিলেন।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে ছাত্র-জনতাকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া ও ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে ওই বছরের জুলাই ও আগস্টে আন্দোলন চলাকালে কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় তাঁদের দায়ী করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

তবে এসব অভিযোগ এখনো বিচারাধীন মামলার অভিযোগ। বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের রায়ে অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিচারিক সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরদিন ৬ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ১৪ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি বলে জানালে ট্রাইব্যুনাল দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তাঁদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ২৩ অক্টোবর আসামিদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করা হয় এবং ২৭ অক্টোবর অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করা হয়েছিল। একই বছরের ২ নভেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়।

মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। এরপর ১১ মে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করে। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর গত ৭ অক্টোবর রায় ঘোষণার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়।

জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে দেশজুড়ে যে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা চলছে, কুষ্টিয়ার এই মামলার রায় তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তে চার আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তির পরবর্তী চিত্র স্পষ্ট হবে।

মামলার অভিযোগ, সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে ট্রাইব্যুনাল যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই হবে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তি।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman

taraftarium24selcuksportstaraftarium24canlı maç izleselcuksportstaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24taraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24selcuksportscanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçcanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izle