লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ঢাকার চারটি আসনে দলীয় প্রধানদের লড়াই

প্রকাশিত: 22 জানুয়ারী 2026

32 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

জাতীয় নির্বাচনে সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা ঢাকার আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এড়িয়ে চলেন। নিশ্চিত জয়ের কৌশল হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা নিজ নিজ জন্মস্থান বা দলীয়ভাবে শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এলাকাকে বেছে নেন। অতীতে ঢাকার আসনে দলীয় প্রধানদের প্রার্থী হওয়া যেমন বিরল ছিল, তেমনি পরাজয়ের নজিরও রাজনৈতিক মহলে সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

তবে এবারের নির্বাচনে সেই চিত্র বদলেছে। ঢাকার চারটি সংসদীয় আসনে চারটি রাজনৈতিক দলের প্রধান সরাসরি ভোটের মাঠে নেমেছেন। বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে এবং এই চার আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনের দৃষ্টি কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

ঢাকা ১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করছেন। প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় সক্রিয় প্রচারণা চলছে। এই আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান।
ঢাকা ১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে তিনি এই আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও এবার নিজ দলীয় প্রতীকে মাঠে নেমেছেন। তার প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলাম মিল্টন।

ঢাকা ১১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচন করছেন। জামায়াতসহ জোটসঙ্গীদের সমর্থন পাওয়ার পর এই আসনে তার প্রচারণা গতি পেয়েছে। এখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ড. এম এ কাইয়ুম।

ঢাকা ১৩ আসনে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক প্রার্থী হয়েছেন। জোট সমঝোতার কারণে একাধিক দল তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করেছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

ঢাকার আসনে অতীতে দলীয় প্রধানদের জয় ও পরাজয়ের নজির রয়েছে। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ঢাকায় দুই আসনে পরাজয় রাজনৈতিক ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আবার ২০০৮ সালে ঢাকা ১৭ আসনে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জয়ও ভিন্ন উদাহরণ সৃষ্টি করে।

বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার আসনে দলীয় প্রধানের জয় বা পরাজয় শুধু একটি আসনের ফল নয়, বরং তা দলের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও মনোবলের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই এবারের এই চার আসনের ফলাফল জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman