দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।
সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার আশাশুনি এলাকায়। কেন্দ্রস্থল খুলনা শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।
সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শক্ত ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। রাজধানী ঢাকাতেও ভবন কাঁপতে দেখা গেছে বলে বাসিন্দারা জানিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী ভারতের কিছু এলাকাতেও কম্পন টের পাওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে দেশে একাধিকবার ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে। মাসের শুরুতে সিলেটে ৩ মাত্রার কম্পনের পর সাতক্ষীরা, সুনামগঞ্জ ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কয়েক দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। একই সময়ে মিয়ানমারেও শক্তিশালী কম্পনের প্রভাব বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়।
ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল উপকূলীয় ও সীমান্তবর্তী ফল্ট লাইনের প্রভাবে মাঝারি মাত্রার কম্পন অস্বাভাবিক নয়। তবে ধারাবাহিক কম্পন ভূমিকম্প সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা নতুন করে সামনে আনছে। বিশেষজ্ঞরা ভবন নির্মাণে বিধিমালা মেনে চলা এবং জরুরি প্রস্তুতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
