লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে কঠোর বার্তা, ‘নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধ’ বললেন মন্ত্রী শেখ রবিউল

প্রকাশিত: 23 জুন 2026

18 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ঘিরে চলমান রাজনৈতিক আলোচনা ও বিভিন্ন কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, ‘নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধ। একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা দৃশ্যমান হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

মঙ্গলবার সকালে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ঢাকা প্রান্তের ভায়াডাক্টের নিচে বাংলাদেশ রেলওয়ের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ একসময় দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল ছিল। তবে জনগণের প্রত্যাশার বিপরীতে অবস্থান নেওয়া এবং জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে দলটি জনগণের সমর্থন হারিয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আইনগত প্রক্রিয়া এবং জনমতের সমন্বয়ে দলটি নিষিদ্ধ হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণই একটি রাজনৈতিক দলের বৈধতার উৎস। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামোর ভিত্তিতেই আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই এ সিদ্ধান্তকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নামে কর্মসূচি ও তৎপরতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম প্রকাশ্যে দৃশ্যমান হওয়া রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা নয়। তিনি এ বিষয়ে আর বিস্তারিত মন্তব্য করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী সরকারি সম্পদের ব্যবহার নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সরকারি জমির তালিকা প্রস্তুত ও শ্রেণিবিন্যাসের কাজ চলছে। জমির পরিমাণ অনুযায়ী সেগুলোর ব্যবহার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তাঁর মতে, তিন একরের বেশি সরকারি জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সুযোগ রয়েছে। এসব জায়গায় ধাপে ধাপে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়। অন্যদিকে ছোট আকারের জমিগুলো স্থানীয় জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার পরিকল্পিতভাবে বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কোথায় কোন ধরনের গাছ উপযোগী, তা যাচাই করেই বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে। সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে সবুজায়ন বাড়ানো এবং পরিবেশ সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. আবদুল্লাহ, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী এবং পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman