দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর ‘নির্বাচনী দায়িত্বশীল সম্মেলনে’ দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা দেশজুড়ে মিশ্র প্ৰতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জিইসি কনভেনশন হলে তিনি বলেন, “নির্বাচন শুধু জনগণ দিয়ে নয়… যার যার নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসনের যারা আছে তাদের সবাইকে আমাদের আন্ডারে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের কথায় উঠবে, আমাদের কথায় বসবে, আমাদের কথায় গ্রেপ্তার করবে, আমাদের কথায় মামলা করবে।” তিনি আরও বলেন, পুলিশের ওসিকে প্রার্থীর প্রোগ্রাম জেনে প্রটোকল দিতে হবে এবং স্কুলের মাস্টার থেকে শুরু করে সবাইকে দাঁড়িপাল্লার প্রতীকে ভোট দেওয়ার কথা বলতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জামায়াত আমির শফিকুর রহমান উপস্থিত থাকলেও শাহজাহান চৌধুরীর এই বক্তব্যের সময় তিনি মঞ্চে ছিলেন না। শফিকুর রহমান নিজের বক্তব্যে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বলেন, পটপরিবর্তনের পর তারা কারও ওপর প্রতিশোধ নেননি, বরং প্রশাসনকে সাহায্য করেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এই বক্তব্যকে ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য হুমকি’ এবং ‘প্রশাসনকে দলীয়করণের প্রকাশ্য হুমকি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা বলছেন, নির্বাচনকালে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের বক্তব্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে এ বিষয়ে যথাযথ অবস্থান নিতে।
