লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

হাদি হত্যা মামলা: তিন আসামির স্বীকারোক্তি, এক সহযোগীর পাঁচ দিনের রিমান্ড

প্রকাশিত: 25 ডিসেম্বর 2025

55 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, তার বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু।

বুধবার ২৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার দুটি পৃথক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। মারিয়া আক্তার লিমা ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে এবং সামিয়া ও সিপু ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

একই মামলায় ফয়সাল করিম মাসুদকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলাম রাজুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান।

আদালত সূত্র জানায়, জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজু তার নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে একজন ফিলিপ নামের ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রধান আসামি ফয়সালকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে সহায়তা করেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের অর্থ সরবরাহের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।

রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কাইয়ুম হোসেন নয়ন। আসামি রাজুর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে গ্রেপ্তারের পর ১৫ ডিসেম্বর সামিয়া, লিমা ও সিপুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পরে ২১ ডিসেম্বর তাদের আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছিল।

গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যা চেষ্টার মামলা করেন। পরে মামলাটিতে হত্যা ধারা ৩০২ যুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে নুরুজ্জামান নোমানীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman