লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

বছরের প্রথম দিনেই ১৭ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ

প্রকাশিত: 01 জানুয়ারী 2026

28 Views

The Civilians News

দেশের ১৭ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে শুক্রবার থেকে এ শৈত্যপ্রবাহ কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যশোরে। বুধবারও যশোরে একই তাপমাত্রা বিরাজ করে। চলতি মৌসুমে এর আগে আরও দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলবীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু জায়গা থেকে তা প্রশমিত হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িক ভাবে ব্যাহত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলিসিয়াস বাড়তে পারে। অস্থায়ী ভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

এদিকে যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছিল। এখন তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবারও যশোরে একই তাপমাত্রা বিরাজ করে।

যশোরে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ছে। শেষ রাত থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা সৃষ্টি হয়। বেলা বাড়লে এর মাত্রা অনেকটা কমলেও হালকা ধরনের কুয়াশা চোখে পড়ছে। এছাড়া মেঘের আড়াল থেকে মাঝে মাঝে সূর্য উঁকি দিলেও তাপ ছড়াচ্ছে না। ঠান্ডার দাপটের কাছে যেন নিস্তেজ হয়ে পড়েছে সূর্যটাও।

তীব্র এই ঠান্ডার কারণে কৃষকরা বোরের বীজতলায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। প্রচণ্ড এই ঠান্ডা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে বীজতলা ‘কোল্ড স্ট্রোকে’ বিনষ্টের দুশ্চিন্তা করছেন। আলু ও সরিষা যারা আবাদ করেছেন তারাও ঠান্ডা ও কুয়াশায় চারা নষ্টের আশঙ্কা করছেন।

এদিকে, গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা। তীব্র শীতে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখিরাও নাকাল হয়ে পড়ছে।

এমএ

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman