লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

কিংবদন্তি অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদির ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত: 15 ফেব্রুয়ারী 2026

61 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । বিনোদন ডেস্ক ।

নন্দিত অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি আজও বাংলা নাটক ও চলচ্চিত্রে এক অনন্য নাম। অভিনয়ের শক্তি, কণ্ঠস্বরের দৃঢ়তা এবং চরিত্র নির্মাণের গভীরতায় তিনি দর্শকের কাছে হয়ে উঠেছিলেন “অভিনয় কারিগর”। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তিনি সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। আজ তার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী।

মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—তিন মাধ্যমেই তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন স্বতন্ত্র উচ্চতায়। তার বাবা এটিএম নূরুল ইসলাম এবং মা বেগম ফরিদা ইসলাম। শিক্ষাজীবন শুরু ইউনাইটেড ইসলামিয়া গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে। পরে চাঁদপুর সরকারি কলেজ হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে নাট্যচর্চার মাধ্যমে তার অভিনয়যাত্রা শুরু। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্য উৎসব আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা থিয়েটার–এর সদস্য হন এবং মঞ্চনাটকে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন।

২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। মৃত্যুর ছয় বছর পর, ২০১৮ সালে তাকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। নাট্যাঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সম্মাননা পান।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘সন্ত্রাস’, ‘দহন’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘একাত্তরের যীশু’, ‘ব্যাচেলর’, ‘শ্যামল ছায়া’, ‘আহা!’ ও ‘মেহেরজান’সহ আরও অনেক সিনেমা।

হুমায়ুন ফরীদি শুধু একজন অভিনেতা নন, তিনি ছিলেন এক প্রজন্মের অভিনয়দর্শনের প্রতীক। আজও তার সংলাপ, উপস্থিতি ও চরিত্র নির্মাণ নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রেরণা জোগায়।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman