লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ হিসেবে দক্ষিণ ইসরাইলে ভয়াবহ হামলা

প্রকাশিত: 22 মার্চ 2026

31 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

ইরান ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহে দক্ষিণ ইসরাইলের শহর আরাদ ও নিকটবর্তী দিমোনা এলাকায় ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতের এই হামলাকে চলমান সংঘাতে ইসরাইলের ভেতরে সবচেয়ে বড় একক আঘাতগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

সিএনএন, আল জাজিরা ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকশ কেজি ওয়ারহেড বহনকারী একাধিক ব্যালিস্টিক মিসাইল ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে আরাদের আবাসিক এলাকায় আঘাত হানে। বিস্ফোরণে অন্তত ১০টি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনটি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বসে পড়েছে বলে জানা গেছে। বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারে জরুরি অভিযান শুরু হয়।

ইসরাইলের জরুরি সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড আদোম জানায়, আরাদে আহতের সংখ্যা ৮৮ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে ৭ থেকে ১০ জন গুরুতর আহত। মাঝারি আহত অন্তত ১৩ থেকে ১৫ জন এবং বাকিরা হালকা আহত। দিমোনায় পৃথক হামলায় আরও ২৭ থেকে ৩৩ জন আহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে মোট আহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। কিছু প্রাথমিক প্রতিবেদনে মৃত্যুর খবর এলেও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এখনো তা নিশ্চিত করেনি।

ইরান দাবি করেছে, নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই আঘাত চালানো হয়েছে এবং দিমোনার কাছে অবস্থিত শিমোন পেরেস নেগেভ নিউক্লিয়ার রিসার্চ সেন্টার লক্ষ্যবস্তু ছিল। তবে ইসরাইল জানিয়েছে, পারমাণবিক স্থাপনাটি অক্ষত রয়েছে।

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হামলাকে “কঠিন রাত” আখ্যা দিয়ে সব ফ্রন্টে পাল্টা হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। একই সময়ে ইসরাইলি বিমান বাহিনী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। যুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান ও টাইমস অব ইসরাইল।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman