লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ইরানের এক তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত: 28 মার্চ 2026

22 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

চলমান মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে নতুন দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় এক তৃতীয়াংশ নিশ্চিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে একাধিক মার্কিন সূত্রের বরাতে বলা হয়, আরও প্রায় এক তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত অথবা ভূগর্ভস্থ টানেলের নিচে চাপা পড়ে থাকতে পারে। তবে এসব অস্ত্রের প্রকৃত অবস্থা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত করা যায়নি। একই ধরনের মূল্যায়ন ইরানের ড্রোন সক্ষমতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হার প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও নৌ সামরিক উৎপাদন অবকাঠামোর ৬৬ শতাংশের বেশি অকার্যকর করা হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তব পরিস্থিতি আরও জটিল। দীর্ঘদিন ধরে ইরান বিস্তৃত ভূগর্ভস্থ টানেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চার সংরক্ষণ করা হয়। ফলে বিমান হামলার পরও উল্লেখযোগ্য অস্ত্রভাণ্ডার অক্ষত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম দ্রুত মেরামত করে পুনরায় ব্যবহারের সক্ষমতাও দেশটির রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি সামরিক সূত্রগুলোর দাবি, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের কাছে প্রায় ২,৫০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল এবং এর প্রায় ৭০ শতাংশ লঞ্চার অকার্যকর করা হয়েছে। তবু সাম্প্রতিক হামলাগুলো দেখাচ্ছে, ইরান এখনো আক্রমণ চালানোর সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও সংঘাতের ভারসাম্য পুরোপুরি বদলে যায়নি। ভূগর্ভস্থ সামরিক অবকাঠামো ও ধাপে ধাপে অস্ত্র ব্যবহারের কৌশল ইরানকে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত টিকিয়ে রাখার সুযোগ দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

সূত্র: রয়টার্স।

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman