লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার

প্রকাশিত: 01 এপ্রিল 2026

8 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে কুমিল্লা ৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

প্রধানমন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যানুসারে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার। বছরে গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১ দশমিক ৮ লাখ কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাচার হওয়া অর্থের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং চীনসহ মোট ১০টি দেশকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সম্মতি পাওয়া গেছে। অন্যান্য দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অগ্রাধিকারভুক্ত ১১টি মামলায় আইনি কার্যক্রম চলছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে পুলিশের সিআইডি, এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত দল কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, আদালতের নির্দেশে দেশে ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি টাকার এবং বিদেশে ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ রয়েছে। অর্থ পাচার সংক্রান্ত মোট ১৪১টি মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টির চার্জশিট দাখিল এবং ৬টির রায় ইতোমধ্যে হয়েছে।

সরকার বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারকে দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংবিরোধী বৃহত্তর কৌশলের অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে বলে সংসদকে জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman