দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ পাইকারি মাছের বাজার যাত্রাবাড়ী পাইকারি মাছের আড়ৎ ভোরের আগেই জমে ওঠে। মাঝরাত থেকে শুরু হওয়া বেচাকেনা সকাল ১০টার মধ্যে পৌঁছে যায় চূড়ায়। বরিশাল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে আসা তাজা ইলিশ, রুই, কাতলা, চিংড়ি ও সামুদ্রিক মাছের বিশাল সমাহারে প্রতিদিন ভিড় করেন খুচরা বিক্রেতা ও হোটেল ব্যবসায়ীরা।
সকাল ছয়টা থেকে আটটার মধ্যে বাজারের ব্যস্ততা সবচেয়ে বেশি থাকে। এ সময় পাইকারি দামে মাছ কিনতে ক্রেতাদের দরদাম করতে দেখা যায়। তবে নতুন বৃষ্টির কারণে মাছের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মাছ ব্যবসায়ী রাহমাতুল্লাহ জানান, “নদীর রুই মাছ পাইকারিতে কেজি ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।” অন্যদিকে বরিশালের ঘেরে উৎপাদিত বড় আকৃতির গ্রাস কার্প মাছ ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ী সজল।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বড় আকৃতির বোয়াল মাছ কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। পাশাপাশি সাগরের টোনা মাছ ও দেশি নদীর মাছের চাহিদাও রয়েছে। দেশি গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৬০০ থেকে ৯০০ টাকায়।
এছাড়া সাগরের মিল্ক ফিশ (মিলিক ফিস) বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩০০ টাকা কেজি দরে। ক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ বাড়লেও দাম না কমায় খুচরা বাজারে মাছ কিনতে গিয়ে বাড়তি চাপ পড়ছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন খরচ, জ্বালানি মূল্য এবং বাজার ব্যবস্থাপনার নানা খরচের কারণে পাইকারি বাজারে দাম কমার সুযোগ কম। ফলে বর্ষা মৌসুম শুরু হলেও স্বস্তি পাচ্ছেন না সাধারণ ক্রেতারা।
