লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ গড়ায় রাষ্ট্রকে সহায়ক হওয়ার আহ্বান, ডা. জুবাইদা রহমান

প্রকাশিত: 11 মে 2026

21 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ড. জুবাইদা রহমান বলেছেন, দেশের প্রতিটি কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, শিক্ষা ও মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, মেয়েদের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ গঠনের পথে রাষ্ট্রব্যবস্থা যেন কোনো বাধা সৃষ্টি না করে বরং তাদের এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করে।

সোমবার রাজধানীতে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি বা পুনাক আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, নারীরা শুধু পরিবার নয় বরং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিকে আরও শক্তিশালী করছে।

তিনি পুনাক সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, তাদের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছে। তার মতে, অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে সামনে রেখে সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো একটি মানবিক ও সুস্থ সমাজ গঠনের ভিত্তি তৈরি করছে।

নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন সহায়তা এবং বিপণন সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়বে এবং দারিদ্র্য বিমোচনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে সরকারি ও সামাজিক উদ্যোগের সমন্বয় জরুরি। বিশেষ করে প্রান্তিক নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদ, সংস্কৃতি সচিব কানিজ মাওলা এবং পুনাকের সহসভানেত্রী সাবিনা আওলাদ সহ অন্যরা।

বাংলাদেশে নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণের হার গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে এখনো শিশু বিবাহ, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাও নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে টেকসই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নারীর উন্নয়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের নীতিগত বক্তব্য তখনই কার্যকর হবে যখন তা বাস্তবমুখী কর্মসূচি, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman