লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ওসি সহ একাধিক পুলিশ সদস্যকে মারধরের মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা

প্রকাশিত: 28 মার্চ 2026

20 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ একাধিক পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান মিজান নামে জামায়াতের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পলাশবাড়ী থানার ওসি খান সারোয়ারে আলম।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোররাতে থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের যৌথ অভিযানে উপজেলার গৃধারীপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান মিজান পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি। তিনি পূর্বে পৌর জামায়াতের আমির এবং ২০১৩ থেকে ২০১৪ সময়ে উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫ মার্চ রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি অভিযোগপত্র জমা দিতে থানায় যান। এ সময় ওসির সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে তর্কের সৃষ্টি হয়। পুলিশের দাবি, একটি খোলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগ করা হলে ওসি এতে সম্মত না হওয়ায় উত্তেজনা তৈরি হয়।

একপর্যায়ে অভিযুক্তরা ওসির ওপর চড়াও হয়ে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে এলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে এক নারী কনস্টেবলসহ মোট নয়জন পুলিশ সদস্য আহত হন।

এ ঘটনায় আহত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুহুল আমিন বাদী হয়ে ২৬ মার্চ মামলা দায়ের করেন। মামলায় নয়জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১২ থেকে ১৩ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি করা হয়েছে মাহমুদুল হাসান পলাশকে।

ঘটনার দিনই তৌহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় এবং পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি স্থানীয় একটি পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। সর্বশেষ অভিযানে মিজানুর রহমান মিজান গ্রেপ্তার হওয়ায় এ মামলায় গ্রেপ্তার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইজন।

পলাশবাড়ী থানার ওসি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

থানার ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা প্রশাসনিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রশ্ন নতুন করে সামনে এনেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman