দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
সরকারের জবাবদিহিতা, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অন্তত ৭০ জন সংসদ সদস্যকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি কার্যকারিতা মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করেছেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ও নির্বাচনী এলাকার কর্মকাণ্ড, প্রশাসনিক দক্ষতা, জনসম্পৃক্ততা এবং প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
সরকারি ও দলীয় সূত্রগুলোর দাবি, পর্যবেক্ষণের লক্ষ্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়; বরং দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি এবং সুশাসন নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ দ্রুত শনাক্ত করাও এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কয়েকজন নেতা জানান, কেবল মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা সংসদ সদস্যরাই নন, দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের কর্মকাণ্ডও মূল্যায়নের আওতায় রয়েছে।
দলীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বিদেশে অবস্থানকালে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রশাসনিক জবাবদিহি কাঠামো পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা থেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যকর ও ফলাফলভিত্তিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে কর্মসম্পাদন মূল্যায়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে। তবে এ ধরনের প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নির্ভর করবে এর স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং ধারাবাহিক বাস্তবায়নের ওপর।
