লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়: ভিডিও কি সত্য নাকি গুজব

প্রকাশিত: 02 জানুয়ারী 2026

25 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। চার মিনিট এক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে খয়েরি রঙের হুডি পরা অবস্থায় ফয়সাল করিম মাসুদকে কথা বলতে দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক। কেউ কেউ ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বলে দাবি করেন, আবার অনেকে মনে করেন এটি ফয়সালের নিজের ধারণ করা ভিডিও।

তবে ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি নয় বলে জানিয়েছেন ফ্যাক্ট চেকার ও ‘দি ডিসেন্ট’-এর সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। তিনি চ্যানেল ২৪-কে বলেন, বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ভিডিওটিতে এআই ব্যবহারের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভিডিওটি ফয়সাল করিম মাসুদ নিজেই ধারণ করেছেন বলে তারা নিশ্চিত হয়েছেন।

ভিডিও ধারণের স্থান সম্পর্কে তিনি বলেন, ভিডিওটি দুবাই, ভারত বা বাংলাদেশ কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলার কোনো উপায় নেই। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফয়সালের আরেকটি ভিডিও এখনো যাচাই করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লেও তদন্তে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ভিডিওটি পুলিশের নজরে এসেছে। তবে এটি তদন্ত কার্যক্রমকে প্রভাবিত করবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি। রিকশায় থাকা অবস্থায় তার মাথায় গুলি লাগে। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হলে সেখানকার সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান। ১৯ ডিসেম্বর তার মরদেহ দেশে আনা হয় এবং ২০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman