লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

এবার ঐক্য না হলে ইসলামি রাজনীতির সুযোগ হাতছাড়া হবে, উলামাদের মহাসম্মেলন

প্রকাশিত: 21 নভেম্বর 2025

27 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন বৃহস্পতিবার ছিল ‘জাতীয় উলামা সম্মেলন-২০২৫’। বাস্তবে এটা ছিল ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে উলামা-মাশায়েখের সবচেয়ে বড় শক্তি প্রদর্শন।

হেফাজত আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী সোজা কথায় বললেন, “যারা মুসলমান নাম নিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে এক হতে হবে। বদদ্বীনি, কুফরি আর ভ্রান্ততার বিরুদ্ধে এখনই ঐক্য না হলে পরে কাঁদতে হবে।”

বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক আরও স্পষ্ট করলেন: “আগামী নির্বাচনে অনেক আলেম নামবেন, এটা স্পষ্ট। কিন্তু উলামাদের পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই কাম্য নয়। একে অপরের ভোট কাটাকাটি করলে লাভ কার?”

মঞ্চে যখন মামুনুল হক উঠলেন, তখন ‘নারায়ে তাকবির’ গর্জনে প্রকম্পিত হলো হল রুম। তিনি বললেন, “ইসলামি রাজনীতির এখন সোনালি সময়। এই সুযোগ হাতছাড়া করলে আগামীতে বড় ভোগান্তি আসবে। সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, এখন সেই সময় এসেছে।”

মধুপুরের পীর মাওলানা আবদুল হামিদ বলেন “১৬ নভেম্বরের কাদিয়ানি-বিরোধী আন্দোলন শেষ হয়নি, যাত্রা শবে শুরু মাত্র। সরকারকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পরেরবার আর সুযোগ থাকবে না। বাতিলের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়তে হবে, বিভক্ত হব না।”

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান বললেন, “আমরা নিজেরা নিজেদের শত্রু হব না। যে কাজ করতে চায়, তাকে বাধা দেব না। ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় জিহাদ।”

সম্মেলনে যারা ছিলেন, ওলিপুরী, নানুপুরী, খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী সবাই একই ভাষায় কথা বলেন। বার্তা একটাই ২০২৬-এর নির্বাচনে উলামায়ে কেরাম একাট্টা থাকবে। কে প্রার্থী হবে, কোন দলের ব্যানারে, সেটা পরে ঠিক হবে। কিন্তু ভোট ভাগাভাগি করা যাবে না।

হলের বাইরে রাস্তা জুড়ে মানুষের ঢল। কেউ বলছে, “এবার ইসলামি শক্তি এক হলে কেউ আটকাতে পারবে না।” কেউ বলছে, “এটা ২০১৩-১৪’র হেফাজতের চেয়েও বড় ঝড়ের পূর্বাভাস।”

একটা কথা স্পষ্ট হয়ে গেল: আগামী নির্বাচনের আগে উলামা সমাজ আর চুপ করে থাকবে না। তারা ঐক্যের ডাক দিয়েছে। এই ডাক কতটা শক্তিশালী হবে, সেটাই এখন দেখার।

 

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman