দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ঐতিহাসিক সরাসরি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান এর রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠককে ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক প্রস্তুতি নিয়েছে আয়োজক দেশ।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
বৈঠককে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদের রেড জোন সম্পূর্ণ লকডাউন করা হয়েছে। ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ, প্যারামিলিটারি ও সেনা সদস্য মোতায়েন রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে কনটেইনার বসিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে এবং বৈঠকস্থল জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টার ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থেকে উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর এই প্রথম এত উচ্চপর্যায়ে সরাসরি আলোচনায় বসেছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। বর্তমানে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই সংলাপ চলছে। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ইরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ নিয়ে জোর দিচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সামরিক প্রভাব সীমিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই বৈঠক সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট প্রশমনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৌলিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও আলোচনা চালু থাকা একটি ইতিবাচক দিক। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আস্থা তৈরি হলে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে।
