লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

থানচিতে পর্যটকবাহী গাড়ি খাদে, নিহত ২

প্রকাশিত: 05 অক্টোবর 2026

6 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম ডিমপাহাড়-টেন্ডুমুখ সড়কে পর্যটকবাহী একটি চান্দের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ডিমপাহাড় থেকে টেন্ডুমুখ নৌঘাটের দিকে নামার সময় টেন্ডুমুখ নৌ চেকপোস্ট থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ি ঢালু সড়ক দিয়ে নামার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সড়কের পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধীন টেন্ডুমুখ বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দুর্গম এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকাজে সময় লাগে। পরে গাড়ি থেকে দুইজনের মরদেহ এবং পাঁচজন আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

নিহত দুজনের নাম মো. জসিম ও মো. জিয়াবুল বলে স্বজনদের বরাতে জানা গেছে। তাঁদের বাড়ি কক্সবাজারের খুটাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বলে জানা যায়।

আহতদের মধ্যে মো. রাশেল, মো. লিটন শিকদার, কাদের হোসেন ও শাহজালালের নাম জানা গেছে। আহত আরেকজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কানন সরকার জানিয়েছেন, আহত পাঁচজনকে উদ্ধার করে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। নিহত দুইজনের মরদেহ থানচি থানায় আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি দুর্গম এবং সেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য সংগ্রহে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

থানচি-আলীকদমের পাহাড়ি সড়কে এর আগেও যানবাহন খাদে পড়ে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে একই অঞ্চলের থানচি-আলীকদম সড়কে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে এক পর্যটক নিহত হয়েছিলেন। দুর্গম পাহাড়ি সড়কের ঢাল, বাঁক এবং যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সেখানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এবং গাড়িটির যান্ত্রিক অবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman