অ্যাঙ্গোলার মাঠে ২-০ গোলে জিতে বছর শেষ করল আর্জেন্টিনা। শুক্রবার লুয়ান্ডার এস্তাদিও ১১ দে নভেমব্রে স্টেডিয়ামে অ্যাঙ্গোলার মুখোমুখি হয়েছিল বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
অ্যাঙ্গোলার স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই প্রীতি ম্যাচটিই বছরের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ লিওনেল মেসির দলের। একইসঙ্গে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে এটি তাদের শেষ বড় পরীক্ষা ছিল।
অবশ্য ১২ মিনিটে আর্জেন্টিনা গোল খেতে বসেছিল। কর্নার থেকে তাদের শট ক্লিয়ার করতে পারেনি আর্জেন্টাইন রক্ষণভাগ। বাঞ্জার ব্যাকপোস্ট থেজে নেওয়া শট রুখে দিয়ে দলকে বাঁচান রুলি।
২১ মিনিটে লাউতারোর থ্রু বলে গোলের সুযোগ পান মেসি। তার চেষ্টা ব্যর্থ করেন মারকেস। ৩৯ মিনিটে গঞ্জালেসের পাস ধরে বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়া তার ডান পায়ের দুর্বল শট ক্রসবারের উপর দিয়ে যায়।
অবশেষে ৪৩ মিনিটে মেসির নিখুঁত পাস থেকে নিচু শটে জাল কাঁপান লাউতারো। বিরতির পর সেভাবে সুযোগ পায়নি আর্জেন্টিনা। তবে ৮২ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পেরেছে ঠিকই। যদিও গোলটা ছিল অপ্রত্যাশিত। মেসি প্রতিপক্ষের রক্ষণে আক্রমণ চালালে বলের দখল হারান। স্বাগতিকেরা বল বিপদমুক্ত করলে পেয়ে যান লাউতারো। ততক্ষণে মেসি বক্সের ভেতরে। লাউতারো দ্রুত তাকে বল দেন, তারপর মেসি গোল করতে পেরেছেন সহজে।
অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে দারুণ ফর্মে ছিল আর্জেন্টিনা। ভেনেজুয়েলাকে ১–০ এবং পুয়ের্তো রিকোকে ৬-০ গোলে হারিয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। নভেম্বর উইন্ডোতে একমাত্র ম্যাচে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পায়নি আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের জন্য নিয়মিত গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে ডাকেননি কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি।
বছরের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে স্পেনে সপ্তাহজুড়ে প্রস্তুতি সেরেছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এলচের মানুয়েল মার্টিনেস ভালেরো স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার দলের ওপেন ট্রেনিংয়ে হাজির হয়েছিলেন ২০ হাজারের বেশি দর্শক।
অন্যদিকে অ্যাঙ্গোলা ইতোমধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাই থেকে ছিটকে গেছে। বাড়তি কোটা থাকার পরও এএফসির বাছাইয়ে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি তারা। ডি গ্রুপে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছে অ্যাঙ্গোলা। শীর্ষে ছিল কেপ ভার্দে (২৩) ও দ্বিতীয় স্থানে ক্যামেরুন (১৯)।
