দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এবং বিরোধী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)–র মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র আকার ধারণ করেছে।
দুই দফার ভোটেই রেকর্ডসংখ্যক ভোটার অংশ নিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়েছে প্রায় ৯২ দশমিক ৫ শতাংশ, আর প্রথম দফায় ছিল ৯২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ১৫২টি এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ১৫টি বুথে পুনঃভোটের নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে মাগরাহাট পশ্চিমে ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারে ৪টি বুথ রয়েছে। কিছু এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
পশ্চিমবঙ্গসহ আসাম, তামিলনাড়ু, কেরালা ও পুদুচেরির নির্বাচনের ফল আগামী ৪ মে ঘোষণা করা হবে। সেদিন সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হবে। প্রথমে ডাকযোগে আসা ব্যালট এবং পরে ইভিএমের ভোট গণনা করা হবে। তবে পুনঃভোট হওয়া কেন্দ্রগুলোর ফল কিছুটা দেরিতে প্রকাশ হতে পারে।
বেশিরভাগ বুথফেরত জরিপে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন সমীক্ষায় তাদের সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ৯৫ থেকে ১৭০-এর মধ্যে ঘুরছে। অন্যদিকে কিছু জরিপে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বাধীন টিএমসিকে ১৭৭-১৮৭ আসন পেয়ে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের অবস্থান তুলনামূলক দুর্বল বলে ইঙ্গিত মিলেছে অধিকাংশ জরিপে।
রেকর্ড ভোটার উপস্থিতি সাধারণত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, তবে পশ্চিমবঙ্গে তা সবসময় সরলভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না। বিজেপির উত্থান স্পষ্ট হলেও টিএমসির সাংগঠনিক শক্তি এখনো বড় ফ্যাক্টর। চূড়ান্ত ফলাফলই নির্ধারণ করবে এই লড়াই কতটা ক্ষমতার পালাবদলে রূপ নেয়।
