লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

শহীদ জিয়ার নিবন্ধ পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির পরামর্শ দেশের বিশিষ্টজনদের

প্রকাশিত: 29 মে 2026

18 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর বহুল আলোচিত নিবন্ধ ‘একটি জাতির জন্ম’ জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন দেশের কয়েকজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ইতিহাসবিদ ও গবেষক। তাঁদের মতে, এই নিবন্ধ নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের অভ্যুদয় এবং পাকিস্তান আমলের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ধারণা দিতে পারে।

১৯৭২ সালে স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলা পত্রিকায় নিবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয়। পরে ১৯৭৪ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় এটি পুনর্মুদ্রিত হয়। আগামী ৩০ মে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রাজনৈতিক ও সামরিক অবদান নিয়ে আলোচনার মধ্যেই নিবন্ধটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল এবং পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। একই মত দিয়েছেন ইতিহাসবিদ সায়েদ আনোয়ার হোসেন। তাঁর মতে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দলিলভিত্তিক ইতিহাস জানাতে এ ধরনের লেখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী বলেন, নিবন্ধটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নানা প্রেক্ষাপট তথ্যসমৃদ্ধভাবে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য মোঃ ইস্রাফিল বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা প্রয়োজন।

‘একটি জাতির জন্ম’ নিবন্ধে পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালিদের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনার বিষয় তুলে ধরেন জিয়াউর রহমান। তিনি ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ৭ মার্চের ভাষণ এবং ২৫ মার্চের গণহত্যাকে স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

নিবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালি সেনা সদস্যদের কাছে “গ্রিন সিগন্যাল”। পরে চট্টগ্রামের কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার কথাও তিনি স্মৃতিচারণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার এবং পরে ‘জেড ফোর্স’-এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে বহুদলীয় রাজনীতি ও সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের উদ্যোগ নেন।

নিবন্ধটি বর্তমানে অনলাইনেও পাওয়া যাচ্ছে এবং বিভিন্ন গবেষণামূলক আলোচনায় উদ্ধৃত হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman