লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

আলিমে পাসের হার কমে ৬১.৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৫০ জন

প্রকাশিত: 31 অক্টোবর 2026

1 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ। এ বছর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। গত দুই বছরের ফলাফলের তুলনায় এবার পাসের হার ও সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটিই কমেছে। একই সঙ্গে পাসের হারে ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার চিত্র দেখা গেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পরে শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানার সুযোগ দেওয়া হয়।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর আলিম পরীক্ষায় মোট ৯২ হাজার ৯০৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ২৯ হাজার ২৬৯ জন এবং ছাত্রী ২৫ হাজার ২৭৮ জন।

এবার আলিম পরীক্ষায় ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ১০ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন।

তবে সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রে ছাত্ররা এগিয়ে আছেন। এ বছর ২ হাজার ২৮ জন ছাত্র জিপিএ-৫ পেয়েছেন। ছাত্রীদের মধ্যে এই সংখ্যা ১ হাজার ২২২। সব মিলিয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাসের হারে ছাত্রীদের এগিয়ে থাকা এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় ছাত্রদের এগিয়ে থাকার বিষয়টি এবারের ফলাফলের উল্লেখযোগ্য দিক। আলিমে পাসের হার ৬১.০৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৫০ জন

আলিম পরীক্ষার গত দুই বছরের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলে সাফল্যের সূচকে ধারাবাহিক অবনতি দেখা যায়। ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪ হাজার ২৬৮ জন। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী। দৈনিক আমার দেশ

অর্থাৎ ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে পাসের হার কমেছে ৩২ দশমিক ৩৩ শতাংশ পয়েন্ট। একই সময়ে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৬ হাজার ৩৬৩ জন। গত বছরের তুলনায়ও পাসের হার কমেছে ১৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮ জন।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর ৪৬০টি কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় ২ হাজার ৭০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৯০৫ জন। নিবন্ধিত ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য থাকায় ফলাফলের পরিসংখ্যানে উভয় হিসাব আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। দৈনিক আমার দেশ

পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবেন। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ফল প্রকাশের ওয়েবসাইট ও মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও ফল সংগ্রহ করা যাবে। খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরীক্ষার পরিচিতি, বোর্ডের সংকেত, রোল নম্বর ও পরীক্ষার সাল লিখে নির্ধারিত নম্বরে পাঠাতে হবে।

পরপর তিন বছরের ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনকারীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি এবং পাঠদানের কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তবে ফলাফলের এই অবনতির পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ কী, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman

taraftarium24canlı maç izleselcuksportstaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izlecanlı maçtaraftarium24canlı maç izlemaç izletaraftarium24canlı maç izlemaç izle