দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় জুলাই যোদ্ধা ও তাদের পরিবারের কল্যাণে একটি আলাদা ডিপার্টমেন্ট গঠন করা হবে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি রাষ্ট্রের যে দায়িত্ব রয়েছে, বিএনপি তা গভীরভাবে অনুভব করে বলেও জানান তিনি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদ পরিবারের সদস্য ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের কষ্ট কোনো কিছু দিয়েই পূরণ করা সম্ভব নয়। স্বজন হারানোর বেদনা কতটা গভীর, তা তিনি নিজেও জানেন। তবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দায়িত্ব হিসেবে অন্তত দুইভাবে সহযোগিতা করা যেতে পারে। এক, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করা। দুই, দলমত নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।
তারেক রহমান স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি আগেও ক্ষমতায় থাকাকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল, যা মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। একই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের জন্যও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের স্বপ্ন ছিল একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। সেই বাংলাদেশ গড়তে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে শোক আর হতাহতের অধ্যায় চলতেই থাকবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
