দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরাইলের ইরানে যৌথ আক্রমন বিষয়ে বক্তব্য চলাকালীন তা বাধাগ্রস্ত করে সাবেক মেরিন সেনা ও সিনেট প্রার্থী ব্রায়ান ম্যাকগিনিস। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ জানান, এ সময় এই সাবেক মেরিন সেনা ও সিনেট প্রার্থী ম্যাকগিনিসকে জোরপূর্বক টেনে হিঁচড়ে কক্ষ থেকে বের করার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে তার হাত ভেঙে ফেলা হয় বলে জানা গেছে। ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে চলমান যুদ্ধ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।
গত সপ্তাহে সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক শুনানিতে হঠাৎ বক্তব্য বাধাগ্রস্ত করে ম্যাকগিনিস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ক্যাপিটল পুলিশের সদস্যরা তাকে কক্ষ থেকে বের করে আনার সময় দরজার সঙ্গে হাত আটকে গেলে গুরুতর আঘাত পান তিনি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি তাকে আটক রাখা হয়।
ম্যাকগিনিসের আইনজীবী জানান, তার বিরুদ্ধে তিনটি পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা এবং গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি ওয়াশিংটন ডিসির আদালতে বিচারাধীন।
ডেমোক্রেসি নাউকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাকগিনিস বলেন, তিনি শুনানিতে গিয়েছিলেন যুদ্ধ প্রস্তুতি নিয়ে নেতাদের অবস্থান শুনতে। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক নেতৃত্ব জনগণের মতামত উপেক্ষা করে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “মানুষ আর নতুন যুদ্ধ চায় না,” এবং নিজেকে “জনগণের কণ্ঠস্বর” হিসেবে তুলে ধরতে চান।
ইরাক যুদ্ধে অংশ নেওয়া এই সাবেক সেনা বর্তমানে নর্থ ক্যারোলাইনা থেকে গ্রিন পার্টির প্রার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতি ও ইসরাইল সম্পর্কিত অবস্থানের কঠোর সমালোচক।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে জনমত বিভক্ত হয়ে পড়ছে এবং যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন ধীরে ধীরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রভাব ফেলছে।
সূত্র: ডেমোক্রেসি নাউ
