দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
দেশের বৃহত্তম ঈদগাহ ময়দান কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চার স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে।
ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়। এতে ইমামতি করবেন কিশোরগঞ্জ শহরের বড় বাজার মসজিদের খতিব মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হয়বতনগর এ ইউ কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা জুবায়ের ইবনে আব্দুল হাই।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। প্রায় ১১০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মাঠ ও আশপাশ এলাকায় একাধিক চেকপোস্ট ও পিকেট স্থাপন করা হয়েছে। ছয়টি ওয়াচ টাওয়ারের মধ্যে চারটি পুলিশ ও দুটি র্যাব ব্যবহার করবে। এছাড়া সিসিটিভি নজরদারি, চারটি ড্রোন ক্যামেরা, ছয়টি ভিডিও ক্যামেরা, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল, সুইপিং টিম ও কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিরা টুপি, জায়নামাজ ও মোবাইল ফোন ছাড়া অন্য কোনো সামগ্রী নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছাতা বহনেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানিয়েছেন, জামাত আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। মুসল্লিদের জন্য অজু ও গোসলের ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। ঈদের দিন যাতায়াত সহজ করতে কিশোরগঞ্জ ময়মনসিংহ ও ভৈরব কিশোরগঞ্জ রুটে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলবে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই শোলাকিয়া ঈদগাহে জঙ্গি হামলার পর থেকে প্রতি বছর বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কঠোর নিরাপত্তা সত্ত্বেও ঐতিহ্যবাহী এ জামাতে মুসল্লিদের উপস্থিতি কমেনি।
