লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ঢাকায় পালিত হল ‘কাশ্মীর ব্ল্যাক ডে’, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে পাকিস্তানের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

প্রকাশিত: 27 অক্টোবর 2026

16 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

ঢাকায় ২৭ অক্টোবর ‘জম্মু ও কাশ্মীর ব্ল্যাক ডে’ পালন করেছে পাকিস্তান হাইকমিশন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কাশ্মীরের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে পাকিস্তানের নৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের সদস্য, পাকিস্তানের বন্ধু হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দারের বাণী পাঠ করা হয়।

পাকিস্তানের নেতাদের বাণীতে ১৯৪৭ সালের ২৭ অক্টোবরের ঘটনাবলি স্মরণ করা হয়। পাকিস্তানের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই দিন ভারতীয় বাহিনী শ্রীনগরে প্রবেশের মধ্য দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের ইতিহাসে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের একটি অধ্যায়ের সূচনা হয়। বাণীগুলোতে কাশ্মীরের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। একই সঙ্গে তাঁদের ত্যাগ, সহনশীলতা এবং ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পাকিস্তানের নেতারা কাশ্মীরে মানবাধিকার পরিস্থিতি, মৌলিক স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ এবং রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীদের আটক রাখার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারত সরকারের নেওয়া পদক্ষেপেরও সমালোচনা করা হয়। পাকিস্তানের দাবি, ওই পদক্ষেপ জম্মু ও কাশ্মীরের সাংবিধানিক ও আইনগত অবস্থান পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছিল।

বাণীগুলোতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি কাশ্মীরের জনগণের মৌলিক অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিরোধের ন্যায়সংগত, শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পাকিস্তানের নেতৃত্বের বক্তব্যে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীর বিরোধের সমাধান ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব এবং কাশ্মীরের জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে এ বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন বলে পাকিস্তান মনে করে। দেশটি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে কাশ্মীরের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

অনুষ্ঠানে কাশ্মীরের জনগণের দুর্ভোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধের চিত্র তুলে ধরে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

জম্মু ও কাশ্মীর বিরোধে ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরে পরস্পরবিরোধী। পাকিস্তান বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক বিরোধ হিসেবে বিবেচনা করে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব অনুযায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে ভারত জম্মু ও কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং ২০১৯ সালের সাংবিধানিক পরিবর্তনকে অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে বর্ণনা করে। ফলে বিরোধটির সমাধান নিয়ে দুই দেশের অবস্থানে মৌলিক মতপার্থক্য এখনো রয়েছে।

ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশনের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থান আবারও তুলে ধরা হয়েছে। তবে বিরোধটির স্থায়ী সমাধান এবং সংশ্লিষ্ট জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্নে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman

taraftarium24selcuksportstaraftarium24canlı maç izleselcuksportstaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24taraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24selcuksportscanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçcanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izle