দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার আজ বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ড. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে।
দুই পক্ষ আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং পাকিস্তান বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে মতবিনিময় করেন। ড. শফিকুর রহমান পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন যুদ্ধ বন্ধ এবং মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য অব্যাহত সংলাপ ও কূটনীতির প্রয়োজন রয়েছে।
হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি অঞ্চল ও তার বাইরে শান্তির প্রতি পাকিস্তানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা বাণিজ্য সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার গতিপথ নিয়ে তিনি অবহিত করেন। দুই পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য শিক্ষা সংস্কৃতি ও জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই বৈঠক সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়ে দুই দেশের মতামত বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ।

বিরোধীদলীয় নেতা পাকিস্তানের শান্তি প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। হাইকমিশনারও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে দুই দেশের জনগণ উপকৃত হবে। বাণিজ্য সম্প্রসারণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক মজবুত করবে। সাংস্কৃতিক বিনিময় ও জনগণের যোগাযোগ দুই দেশের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়াবে।
আঞ্চলিক পরিস্থিতি বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টার গুরুত্ব দুই পক্ষই স্বীকার করেছেন। যুদ্ধ বন্ধ এবং মানুষের দুর্ভোগ কমাতে অব্যাহত সংলাপ প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা।
পাকিস্তান হাইকমিশন এই বৈঠকের বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে দুই পক্ষ সম্পর্কের ইতিবাচক গতি নিয়ে সন্তুষ্ট। এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করতে সাহায্য করে। আঞ্চলিক শান্তি ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে নিয়মিত মতবিনিময় উভয় দেশের স্বার্থেই জরুরি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দুই পক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আলোচনা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এ ধরনের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে আরও খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা করা হচ্ছে।
