দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী তিন নেতার সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড। তবে দলের পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়া তিন নেতা হলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সাবেক মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ এবং সুলতানুল ফেরদৌস নম্রচৌধুরী। এর আগে তিনজনই দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছিলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় স্থায়ী কমিটি মনোনয়ন বোর্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে আগ্রহী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।
সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন। জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে রুহুল কবির রিজভী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, ইসমাইল জবিউল্লাহ ও ফরহাদ হালিম ডোনার উপস্থিত ছিলেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের ৪ দফা অনুযায়ী সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাঁর সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের কারণে আসনটি শূন্য হওয়ায় উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৭ অক্টোবর এবং ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে এবারের উপনির্বাচনে পাঁচ লাখের বেশি ভোটারের ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে। ভোটগ্রহণ হবে নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার পর দলীয়ভাবে নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণের ওপরও এই উপনির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিধি নির্ভর করবে।
