লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

তুষারঝড় ও শৈত্যপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রে নিহত ৩০

প্রকাশিত: 27 জানুয়ারী 2026

197 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

তীব্র তুষারঝড় ও শৈত্যপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি এবং ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেক্সাস, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি, নর্থ ক্যারোলাইনা, আরকানসাস, কানসাস, ম্যাসাচুসেটস ও টেনেসিসহ একাধিক অঙ্গরাজ্য থেকে মৃত্যুর খবর এসেছে। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের রাজধানী নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি জানিয়েছেন, গত দুই দিনে তার শহরেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে কয়েকজন সড়ক দুর্ঘটনা ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেও বেশিরভাগের মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে হাইপোথার্মিয়া। দীর্ঘ সময় প্রচণ্ড ঠান্ডায় থাকলে শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে নেমে যায়, যার ফলে তীব্র কাঁপুনি, পানিশূন্যতা ও শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। এই অবস্থাকেই চিকিৎসাবিজ্ঞানে হাইপোথার্মিয়া বলা হয়।

উত্তর মেরু অঞ্চল থেকে আসা হিমেল বাতাসের প্রভাবে চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। দেশটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা বর্তমানে পুরু তুষারের স্তরে ঢাকা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ২০ কোটিরও বেশি মানুষের জন্য ‘কোল্ড অ্যালার্ট’ জারি করেছে মার্কিন আবহাওয়া দপ্তর।

চরম ঠান্ডার কারণে হঠাৎ বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অনেক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র অচল হয়ে পড়েছে। ফলে দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ পরিষেবা পর্যবেক্ষণ সংস্থা পাওয়ার আউটেজ ডট কম জানিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত অন্তত ৬ লাখ ৭০ হাজারের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে স্কুলসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে না বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

এদিকে তুষারঝড় ও ঝড়ো আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচলেও। বিমান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, রোববার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ১৭ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। সোমবারও বাতিল হয়েছে আরও ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট। করোনা মহামারির পর এটিই সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman