লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘কোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ সদস্যের আত্মসমর্পণ, বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

প্রকাশিত: 14 জুলাই 2026

62 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

সুন্দরবনে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং বনদস্যুমুক্ত অঞ্চল গড়ে তোলার অভিযানে বড় সাফল্যের দাবি করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। বাহিনীটি জানিয়েছে, সুন্দরবনের কুখ্যাত ‘কোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন সক্রিয় ডাকাত আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবনের চরপুটিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন বাহিনীটির সদস্যরা। আত্মসমর্পণের সময় তারা নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্র ও গোলাবারুদ কোস্ট গার্ডের কাছে জমা দেন।

কোস্ট গার্ডের তথ্যমতে, আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি এইট শুটার, একটি ফোর শুটার, পাঁচটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান, দুটি চায়না পাইপগান, ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৫৫ রাউন্ড খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনে সক্রিয় বনদস্যু নির্মূলে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানে এ পর্যন্ত বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পাশাপাশি ৪৫ জন বনদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বনদস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার পর তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের দাবি, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সুন্দরবনের বিভিন্ন ডাকাত বাহিনী এখন ব্যাপক চাপের মুখে রয়েছে। এর আগে ‘কোট সুমন’ বাহিনীর সাত সদস্য এবং ‘বড় জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর তিন সদস্যও অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছিলেন। সর্বশেষ ‘কোট জাহাঙ্গীর’ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ সদস্যের আত্মসমর্পণকে সুন্দরবনে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে সংস্থাটি।

আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পুনর্বাসনের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে সুন্দরবনের অন্য সক্রিয় বনদস্যুদেরও অস্ত্র সমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যারা আত্মসমর্পণের পরিবর্তে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির আওতায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণভাবে বনদস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে ধারাবাহিক অভিযান ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। তবে এই সাফল্য স্থায়ী করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বিকল্প কর্মসংস্থান, সামাজিক পুনর্বাসন এবং টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman

taraftarium24selcuksportstaraftarium24canlı maç izleselcuksportstaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24taraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24selcuksportscanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçcanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izle