লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

‘আমি মেজর জিয়া বলছি’, জ্বলে উঠল স্বাধীনতার মশাল

প্রকাশিত: 15 ডিসেম্বর 2025

288 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । বিজয় ১৯৭১ ।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইট শুরু করে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর নৃশংস গণহত্যা চালায়। চট্টগ্রামে অবস্থানরত ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর জিয়াউর রহমান তখন পাকিস্তানি কমান্ডিং অফিসারের নির্দেশ পান, চট্টগ্রাম বন্দরে অস্ত্র খালাসে সাহায্য করতে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি সেই নির্দেশ অমান্য করেন এবং “আমরা বিদ্রোহ করছি” বলে ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানি অফিসারদের গ্রেপ্তার করেন। তার নেতৃত্বে পুরো ইউনিট বিদ্রোহ করে এবং শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে।

পরদিন ২৭ মার্চ (কিছু সূত্রে ২৬ মার্চ) কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন: “আমি মেজর জিয়াউর রহমান… বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।” এই ঘোষণা পুরো পূর্ব পাকিস্তানে বিদ্যুৎের মতো ছড়িয়ে পড়ে, মানুষের মনে আশা জাগায় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহিত করে। এটি ছিল যুদ্ধের শুরুতে একটি ঐতিহাসিক সাহসী পদক্ষেপ, যা মুক্তিবাহিনীর সংগঠিত প্রতিরোধের ভিত্তি তৈরি করে।

যুদ্ধকালীন সময়ে মেজর জিয়া প্রথমে সেক্টর ১-এর কমান্ডার হন, পরে সেক্টর ১১-এর এবং জুলাই থেকে ‘জেড ফোর্স’ নামে প্রথম কনভেনশনাল ব্রিগেডের কমান্ডার হয়ে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা ও সরাসরি যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। তার নেতৃত্বে অনেক এলাকা শত্রুমুক্ত হয় এবং আগস্টে রৌমারীতে মুক্তাঞ্চলে প্রথম বেসামরিক প্রশাসন গঠন করেন।

এই অদম্য সাহস ও নেতৃত্বের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব লাভ করেন। এটি বাংলাদেশের মুক্তির সনদের এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। এই বীরত্বগাঁথা মুক্তিবাহিনীর একজন বীরের অটুট দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman