লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায়, স্বাক্ষরিত হল ১৩ সমঝোতা স্মারক

প্রকাশিত: 25 জুন 2026

10 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের বৈঠকের পর এসব সমঝোতা স্মারক সই হয়।

দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, সবুজ উন্নয়ন, গণমাধ্যম সহযোগিতা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে রয়েছে বিনিয়োগ সহযোগিতা, সবুজ উন্নয়ন, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, গণমাধ্যম সহযোগিতা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগ। পাশাপাশি একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশের কৃষিপণ্য বিশেষ করে জাতীয় ফল কাঁঠালের রপ্তানি সম্প্রসারণ নিয়েও একটি সমঝোতা হয়েছে। এছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি, তথ্য আদান-প্রদান এবং গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একাধিক পৃথক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশে বিনিয়োগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন।

চীনা পক্ষ বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের অবকাঠামো সহযোগিতা এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের আওতায় যৌথ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি মানসম্পন্ন পণ্য আমদানির আগ্রহের কথাও জানিয়েছে বেইজিং।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম চীন সফরে এই সমঝোতা স্মারকগুলো দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষ করে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি এবং বাণিজ্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে এর দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman