লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

ঢাকায় হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার পাঁচ

প্রকাশিত: 25 অক্টোবর 2026

29 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

রাজধানীর তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ওয়ারী শাখা। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী রয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান নামে একজনকে চক্রটির মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গোপন নজরদারি ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় চক্রটির সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার অন্য চারজন হলেন প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), সাবরিন কবির প্রেমা ওরফে নেহা (২২) এবং সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। গ্রেপ্তার জিৎ ভক্তের বয়স ৩৮ বছর বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গোয়েন্দা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের বরাতে জানানো হয়েছে, চক্রটির নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক ব্যবসায়ীসহ বিত্তবান পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে কৌশলে তাঁদের নির্ধারিত বাসা কিংবা হোটেলের কক্ষে ডেকে নেওয়া হতো।

পুলিশের অভিযোগ, সেখানে চক্রটির পুরুষ সদস্যরা ভুক্তভোগীদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখাতেন এবং শারীরিক নির্যাতন করতেন। এ সময় আপত্তিকর পরিস্থিতিতে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সেগুলো প্রকাশের হুমকি দেওয়া হতো। সেই হুমকি ব্যবহার করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হতো বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, একবার অর্থ আদায়ের পরও ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে আবার টাকা দাবি করত চক্রটি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বক্তব্য কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাঁচটি মুঠোফোন, তিনটি ফাঁকা চেক এবং একটি নির্যাতনের বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। উদ্ধার করা সামগ্রীগুলো কীভাবে ব্যবহার করা হতো, সে বিষয়ে তদন্তের বিস্তারিত ফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে চক্রটির সদস্যরা ঘন ঘন বাসা ও আস্তানা পরিবর্তন করতেন। পাশাপাশি ভুয়া নামে নিবন্ধিত মুঠোফোনের সিম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাব ব্যবহার করতেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নির্দোষ বলে বিবেচিত হওয়ার অধিকার রয়েছে।

এ ধরনের প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইল থেকে সুরক্ষিত থাকতে নগরবাসীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। প্রতারণা কিংবা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে দ্রুত পুলিশকে জানানোরও অনুরোধ করা হয়েছে।

অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে অনলাইনে সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, আর্থিক বিবরণ কিংবা পরিচয়সংক্রান্ত নথি শেয়ার করার আগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। অনলাইনে পরিচিত কারও আমন্ত্রণে নির্জন বাসা বা অপরিচিত স্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রেও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman

taraftarium24canlı maç izleselcuksportstaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izlecanlı maçtaraftarium24canlı maç izlemaç izletaraftarium24canlı maç izlemaç izletaraftarium24canlı maç izlemaç izleselçuk sportsselçuksportsjustin tvnetspor tv