দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
ইসরাইলবিরোধী অবস্থানকে কেন্দ্র করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দেওয়া এই বার্তা নতুন কূটনৈতিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান এরদোয়ানকে ‘আমার ভাই’ সম্বোধন করে লেখেন, যুদ্ধপ্রিয় জায়োনিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে এরদোয়ানের দৃঢ় অবস্থান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, তুরস্কের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী উম্মাহর আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও দুই দেশ একসঙ্গে এই পথ অতিক্রম করবে।
এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আলোচনায় উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান গাজা, লেবানন ও ইরানে ইসরাইলি হামলার কঠোর সমালোচনা করে সেগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
মাসুদ পেজেশকিয়ান এর X বার্তটি হুবহু তুলে ধরা হলো :
“translate it as it is to bangla “The resolute positions of my brother Recep Tayyip Erdogan, President of Türkiye, in condemning the warmongering Zionist regime are commendable. The proud nation of our friendly and brotherly country of Türkiye has, for many years, steadfastly played a role in solidarity with the aspirations of the Islamic Ummah. By the grace of God, we will traverse this proud path togeth”
বাংলা অনুবাদ : “আমার ভাই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের যুদ্ধপ্রিয় জায়োনিস্ট শাসনের নিন্দায় দৃঢ় অবস্থান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমাদের বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ তুরস্কের গর্বিত জাতি দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী উম্মাহর আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে আসছে। আল্লাহর রহমতে আমরা এই গর্বিত পথ একসঙ্গে অতিক্রম করব।”
বিশ্লেষকদের মতে, পেজেশকিয়ানের এই বার্তা শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং আঞ্চলিক রাজনৈতিক সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে থাকা ইরানের জন্য তুরস্কের মতো প্রভাবশালী মুসলিম দেশের প্রকাশ্য সমর্থন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
পোস্টটি তুর্কি ভাষায় প্রকাশ করা হয়, যা দুই দেশের সম্পর্কের উষ্ণতা ও পারস্পরিক রাজনৈতিক বার্তা আরও স্পষ্ট করেছে। একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের আহ্বান হিসেবেও এটি বিবেচিত হচ্ছে।
পর্যবেক্ষকদের ধারণা, তেহরান ও আঙ্কারার এই ঘনিষ্ঠ অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ কূটনীতি ও শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
