লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

মালয়েশিয়া সফর শেষে সরাসরি চীন যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: 17 জুন 2026

4 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

মালয়েশিয়া সফর শেষ করেই সরাসরি চীন সফরে যাবেন সরকারপ্রধান তারেক রহমান। ২২ জুন রাতে মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ২১ জুন দুপুরে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। এটি হবে তার প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফরের সূচনা পর্ব। ২২ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিন বিকেলে তিনি কুয়ালালামপুর থেকে চীনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন।

চীনে পৌঁছে ২৩ জুন দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের নিউ চ্যাম্পিয়ন্স সম্মেলনে অংশ নেবেন সরকারপ্রধান। সেখানে বিশ্ব অর্থনীতি, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং এশিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সম্মেলনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের নেতা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে।

২৪ জুন তিনি দালিয়ান থেকে বেইজিং যাবেন। জানা গেছে, এই যাত্রায় তিনি বুলেট ট্রেন ব্যবহার করতে পারেন। ২৫ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং পরে সীমিত আকারে আরও একান্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে। একই দিনে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর একই দিন ঢাকায় ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

সফরকে ঘিরে অন্তত পনেরটির বেশি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গণমাধ্যম সহযোগিতা এবং সবুজ জ্বালানি খাতে সমঝোতা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সূত্রগুলো বলছে, উভয় দেশের রাজনৈতিক দল ও উন্নয়ন সহযোগী কাঠামোর মধ্যেও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চমানের রপ্তানি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার নতুন দিক উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টার অংশ। মালয়েশিয়া ও চীনের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠককে তারা কৌশলগত বার্তা হিসেবে দেখছেন।

তবে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও চুক্তির বিষয়গুলো দুই পক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ওপর নির্ভর করবে বলে কূটনৈতিক মহল মনে করছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman