লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

৯৩০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন, হাসিনা কন্যা পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

প্রকাশিত: 29 অক্টোবর 2026

7 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রতিষ্ঠিত সূচনা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে ৯৩০ কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে প্রতিষ্ঠানটির আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আয়কর নথিও জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তের স্বার্থে নথিগুলো জব্দ করে পর্যালোচনার আবেদন জানিয়েছিল।

সূচনা ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫-১৬ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত সূচনা ফাউন্ডেশন ৯৯ লাখ ৪ হাজার টাকা আয়কর পরিশোধ না করে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুয়া কর পরিশোধের নথি তৈরি করে এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ওই অর্থকে আয়কর ব্যয় হিসেবে দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ফাউন্ডেশনটির নামে পরিচালিত ১৪টি ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা ও উত্তোলনের তথ্য তুলে ধরেছে সংস্থাটি। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব হিসাবে ৫৩১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জমা এবং ৪৬৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৯৩০ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

তদন্তকারীদের মতে, অর্থের উৎস, ব্যবহার, কর পরিশোধের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেনের প্রকৃত চিত্র যাচাই করতে ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাকাল থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথি পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এ কারণে নথির স্থায়ী অংশ, বিবিধ অংশ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রেকর্ড জব্দের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

সাবেক সংসদ সদস্য শম্ভুর আয়কর নথিও জব্দ
একই দিনে সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আয়কর নথি জব্দের আবেদনও মঞ্জুর করেন আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারসংক্রান্ত অভিযোগে মামলা রয়েছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারার কথা উল্লেখ করা হয়।

সংস্থাটির বক্তব্য অনুযায়ী, শম্ভুর আয়-ব্যয়ের হিসাব যাচাই এবং তাঁর নামে বা নিয়ন্ত্রণে অন্য কোনো গোপন সম্পদ রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধানের জন্য আয়কর নথি পর্যালোচনা করা জরুরি। তাঁর ঘোষিত আয়, সম্পদের বিবরণ এবং করসংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত আর্থিক অবস্থার সামঞ্জস্য যাচাই করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে আর্থিক নথি
দুটি পৃথক আবেদনের ভিত্তিতে দেওয়া আদালতের আদেশের ফলে তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট আয়কর নথি ও রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে পর্যালোচনার সুযোগ পাবেন। এসব নথি থেকে আয়, ব্যয়, কর পরিশোধ, সম্পদের বিবরণ এবং ব্যাংক লেনদেনের মধ্যে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হতে পারে।

দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তে আর্থিক নথি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া কিংবা নথি জব্দের আদেশ দেওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য, প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা এবং আদালতের বিচারিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত দায় নির্ধারিত হবে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman

taraftarium24selcuksportstaraftarium24canlı maç izleselcuksportstaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24taraftarium24canlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24selcuksportscanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçtaraftarium24canlı maç izlecanlı maçcanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izlecanlı maç izletaraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24taraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izle