লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

বন্দরে বিদেশি অপারেটর: ‘ভাসা ভাসা’ অভিযোগকে খারিজ করলেন বিডা চেয়ারম্যান

প্রকাশিত: 26 নভেম্বর 2025

28 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর নিয়ে বিরোধীদের ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ ও ‘সার্বভৌমত্ব’ সংক্রান্ত শঙ্কাকে ‘হাস্যকর’ ও ‘ভ্রান্ত ধারণা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। বুধবার (২৫ নভেম্বর) তার ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “বন্দর পরিচালনায় চলমান শুদ্ধি অভিযানের সময় বিভিন্ন পক্ষ বিভ্রান্তিমূলক যুক্তি তুলে ধরলেও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।”

আশিক চৌধুরী পোস্টে বলেন, ছোটবেলায় শোনা ‘বন্দরের চেয়ার-টেবিলও ঘুষ খায়’, এই সংস্কৃতির মধ্যে দীর্ঘকাল বন্দর চলেছে। এখন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় আলোচনা-সমালোচনা ইতিবাচক, কারণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কঠোর অবস্থান আশাব্যঞ্জক। “দেড় বছর আগেও এমন হলে ইন্টারনেট নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যেত,” তিনি হাস্যরসাত্মকভাবে যোগ করেন।

বিরোধীদের ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ অভিযোগকে ‘সবচেয়ে হাস্যকর’ বলে তিনি খারিজ করেন। তার দাবি, বাস্তবে এসব আশঙ্কার কোনো মিল নেই। চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিটি জাহাজের কনটেইনারের বিবরণ বন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের কাছে জমা দিতে হয়। খালাসের সময় কাস্টমসের তদারকি অব্যাহত থাকে। বিদেশি অপারেটর এলেও এই প্রটোকল অপরিবর্তিত থাকবে।

তিনি আরও জানান, বিদেশি কর্মকর্তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক, সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স দেশীয় গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত করবে। টার্মিনালের প্রযুক্তি, ডেটা লোকালাইজেশন, সাইবার নিরাপত্তা ও অ্যাক্সেস কন্ট্রোল সরকারের মানদণ্ডে চলবে। “দেশপ্রেমের নামে অযৌক্তিক উদ্বেগ সৃষ্টি করবেন না। সশস্ত্র বাহিনীর কাউকে জিজ্ঞেস করুন, তারা কি এতে চিন্তিত?” তিনি প্রশ্ন তোলেন।

আশিক চৌধুরীর মতে, বিদেশি বিনিয়োগ বরং নিরাপত্তা শক্তিশালী করবে, কারণ বন্ধুপ্রতিম দেশের স্বার্থেই তারা বন্দর রক্ষায় আগ্রহী হবে। “আধুনিক বিশ্বে ইকোনমিক ইন্টারেস্টের চেয়ে শক্ত ঢাল নেই।” বিশ্বের অনেক স্পর্শকাতর দেশে বিদেশি অপারেটর চলে, কিন্তু বাংলাদেশে সামান্য উপস্থিতিতেই ‘অদ্ভুত আত্মভ্রম’ দেখা যায়।

পোস্টের শেষে তিনি একটি ইনফোগ্রাফিক শেয়ার করেন, যাতে বন্দরের নিরাপত্তা প্রটোকলের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধীরা এই পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানায়নি, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা জমে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংস্কারের এই প্রচেষ্টা বন্দরকে আধুনিক করে তুলবে, কিন্তু স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

 

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman