লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান

প্রকাশিত: 01 নভেম্বর 2026

11 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা, নিরাপত্তা কর্মকর্তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন নাকচ হওয়ার কয়েক দিন পর উচ্চ আদালত থেকে এই আইনি স্বস্তি পেলেন তিনি।

রোববার (১ নভেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে গত ২৬ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন। ফলে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন সাবেক এই সংসদ সদস্য।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এ সময় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ২ অক্টোবর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন।

গ্রেপ্তারের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তবে সেদিন আদালত জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১ অক্টোবর মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ফেরে। তাদের বহনকারী উড়োজাহাজটি সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে যাত্রীরা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।

এ সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে লাগেজ বহনের ট্রলির সংকট দেখা দেয়। এতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়। অভিযোগে বলা হয়, কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন। অন্যদিকে লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, পরিস্থিতির একপর্যায়ে দায়িত্ব পালনরত বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আখতারুজ্জামানের বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি হয়নি। হাইকোর্টের জামিন আদেশের ফলে মামলার বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কি না, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আখতারুজ্জামানের জামিনের আদেশ তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman

taraftarium24canlı maç izleselcuksportstaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izletaraftarium24canlı maç izlecanlı maçtaraftarium24canlı maç izlemaç izletaraftarium24canlı maç izlemaç izletaraftarium24canlı maç izlemaç izleselçuk sportsselçuksportsjustin tvnetspor tv