দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক নেতা মুহাম্মদ । তাঁর এসব মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন সূত্র ও তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযোগের ইঙ্গিত রয়েছে এবং বিষয়টি নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও আলোচিত।
রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কারণে রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে। তিনি আরও বলেন, কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসনিক নিয়োগ ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে।
তিনি এনসিপির আরও কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, বিভিন্ন নিয়োগ, প্রশাসনিক পদায়ন এবং আর্থিক লেনদেনকে ঘিরে তাদের সম্পৃক্ততার কথা রাজনৈতিক মহলে আলোচিত। তবে এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক নথি প্রকাশ করেননি।

পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটি আলোচিত ভিডিও এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি কিছু নিহত বা প্রয়াত ব্যক্তির বক্তব্য ও মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এনসিপি বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন অভিযোগ মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কেন্দ্রিক রাজনৈতিক চাপ ও পাল্টা বক্তব্যের অংশ হয়ে উঠছে, যেখানে যাচাই করা তথ্য এবং ব্যক্তিগত মন্তব্যের সীমারেখা প্রায়ই মিশে যায়।
তারা বলছেন, অভিযোগগুলো সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ছাড়া সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঝুঁকিপূর্ণ।
