দ্য সিভিলিয়ানস । খুলনা প্রতিনিধি ।
খুলনা মহানগরীর শিববাড়ী মোড়ের বাবরী চত্বরে সোমবার (১ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকেলে জামায়াতে ইসলামীসহ আন্দোলনরত ৮ দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসরাসরি অভিযোগ করেছেন, “ক্ষমতায় না গিয়েও কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। তারা প্রশাসনিক ক্যু-এর মতো কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করছে। কেউ কেউ বলছে, জনগণ ভোট দিক বা না দিক, ক্ষমতায় যেতেই হবে। এই মানসিকতা দেশ কখনো মেনে নেবে না।”
তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর যারা আবির্ভূত হয়েছেন, দায়িত্ববোধ থেকেই তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলাম। কিন্তু চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ না হওয়ায় জনগণ আজ ক্ষুব্ধ। বিনিয়োগকারী থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সবাই চাপে আছে। প্রয়োজনে আবারও ৫ আগস্টের মতো জনঅভ্যুত্থান ঘটবে। সন্ত্রাস ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যে শক্তি জেগেছিল, সেই শক্তি আবার জেগে উঠবে।”
ডা. শফিকুর রহমান সাফ জানান, “ইসলামী দলের নামে চাঁদাবাজির দায় চাপানোর কোনো সুযোগ নেই। ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু এখন একটি গোষ্ঠী ব্যক্তিস্বার্থে জনগণের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। ফলে সমাজজীবন আবার অস্থির হয়ে উঠেছে।”
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। এতে ৮ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ থেকে আবারও ৫ দফা দাবি (জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, নির্বাচনের আগে গণভোট, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা) জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়।
খুলনা মহানগরীতে এটি ছিল ৮ দলের সবচেয়ে বড় সমাবেশ। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা স্লোগানে মুখরিত ছিল।
