লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

পুশকিনের ২২৭তম জন্মবার্ষিকী ও রুশ ভাষা দিবস উদযাপন ঢাবিতে

প্রকাশিত: 14 জুন 2026

8 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

আধুনিক রুশ সাহিত্যের জনক আলেকজান্ডার পুশকিনের ২২৭তম জন্মবার্ষিকী এবং রুশ ভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রোববার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ রাশিয়া দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি এবং রাশিয়ান হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্রা এ. খেলভনয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, আলেকজান্ডার পুশকিন শুধু রুশ সাহিত্যের নয়, বিশ্বসাহিত্যেরও এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর সাহিত্যকর্ম মানবিক মর্যাদা, স্বাধীনতা, সৃজনশীলতা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মূল্যবোধে সমৃদ্ধ। তিনি বলেন, পুশকিন দিবস উদযাপন একজন মহান সাহিত্যিককে স্মরণ করার পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ ভাষা রুশ ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

তিনি আরও বলেন, ভাষা বিভিন্ন জাতি ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার সেতুবন্ধন তৈরি করে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে উৎসাহিত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সাহিত্যচর্চা, ভাষা শিক্ষা এবং জ্ঞানভিত্তিক বিনিময়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশেষ অতিথি আলেকজান্দ্রা এ. খেলভনয় বলেন, রুশ ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং বিজ্ঞান, সাহিত্য, প্রযুক্তি এবং গবেষণার বিশাল জ্ঞানভাণ্ডারে প্রবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বার। তিনি জানান, রুশ ভাষা শিক্ষা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং পেশাগত উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়া সরকারের বিভিন্ন বৃত্তি কর্মসূচির সুযোগ গ্রহণে রুশ ভাষাজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রুশ ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ভাষা ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এ ধরনের আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman