দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র নরসিংদী-২ আসনের প্রার্থী সরোয়ার তুষার জোটসঙ্গী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র স্থানীয় নেতা ও প্রার্থী আমজাদ হোসাইনের বিরুদ্ধে ‘গাদ্দারি’র অভিযোগ তুলেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
নরসিংদী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার। তবে জোটের সিদ্ধান্তের পরও জামায়াত প্রার্থী আমজাদ হোসাইন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। তুষারের দাবি, তিনি গোপনে প্রচার-প্রচারণাও চালিয়েছেন।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আমজাদ হোসাইন পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৬৬৯ ভোট। শাপলা কলি প্রতীকে পড়েছে ১৪ হাজার ৫৬৭ ভোট। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৯৪ ভোট। তুষারের ভাষ্য, জোটের ভোট বিভক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র প্রার্থী ৬ হাজার ৪৫৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
তার দাবি, জামায়াত প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জোটের পক্ষে সমন্বিতভাবে কাজ করলে ১১ দলীয় জোট অন্তত ১০ থেকে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পেত।
সরোয়ার তুষার আরও বলেন, পলাশে জোট কার্যকরভাবে সক্রিয় না থাকায় ভোটারদের একটি অংশ ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং জোটের নিষ্ক্রিয়তা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি দাবি করেন, তাকে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা—দুই প্রতীকের বিরুদ্ধেই একযোগে লড়তে হয়েছে। তার মতে, ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না থাকলে ফলাফল ভিন্ন হতে পারত। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এনসিপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
