লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...

তিন বছর কারাভোগ শেষে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৬ বাংলাদেশি নারী

প্রকাশিত: 17 জুন 2026

4 Views

The Civilians News

দ্য সিভিলিয়ানস । নিউজ ডেস্ক ।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছেন ছয় বাংলাদেশি নারী। বুধবার দুপুরে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে ওই নারীদের হস্তান্তর করে। এ সময় দুই দেশের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফিরে আসা নারীরা হলেন নুসরাত মণ্ডল, ফাতেমা জিন্নাত, মিম আক্তার, সাদিয়া আক্তার, রিপা খাতুন এবং আরোহী মণ্ডল। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসা নারীদের একজন ফাতেমা জিন্নাত জানান, ভালো চাকরির আশায় দালালের প্রলোভনে পড়ে ২০২৩ সালে সীমান্তের অবৈধ পথ ব্যবহার করে তারা ভারতের হায়দারাবাদে যান। সেখানে বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও সৌন্দর্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন।

পরবর্তীতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আদালত তাদের তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগের পর ভারতের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখে। পরে দুই দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, ইমিগ্রেশনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর ওই ছয় নারীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের প্রতিনিধিরা জানান, প্রথমে তাদের যশোরে সংস্থার আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হবে। প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং ও যাচাই প্রক্রিয়া শেষে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিদেশে কাজের সুযোগের নামে প্রতারণার শিকার হয়ে অনেক নারী ও তরুণ জীবনঝুঁকিতে পড়ছেন। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি এবং জনসচেতনতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

 

 

আরও পড়ুন

Editor & Publisher : Khondaker Azizur Rahman